আনোয়ার জাহিদ আর নেই
সাংবাদিক ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী আনোয়ার জাহিদ বুধবার রাতে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। নিকট আত্মীয় অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে মারা যান আনোয়ার জাহিদ। প্রবীণ এ রাজনীতিক ফুসফুস ও কিডনির জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। ইউনাইটেড হাসপাতালে গত ৬ আগস্ট থেকে তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখা হয়। ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আনোয়ার জাহিদ সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাজনীতিক হিসেবেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি এরশাদ সরকারের তথ্য ও শ্রমমন্ত্রী ছিলেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে বেলা ৪টায় এবং বায়তুৃল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আসরের নামাজের পর আনোয়ার জাহিদের দু'টি জানাজা হবে। এরপর মীরপুর বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। আনোয়ার জাহিদের সাংবাদিকতা শুরু ১৯৫৭ সালে দৈনিক ইত্তেহাদে। পরে দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক ইনকিলাব, দি পিপলস, সাপ্তাহিক গণবাংলা ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ টাইমসের দায়িত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। ঝিনাইদহের গোবিন্দপুরে ১৯৩৫ সালের ১২ জুন জন্ম নেওয়া আনোয়ার জাহিদ ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। পরে পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন। এরশাদ আমলে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এরপর বিএনপিতে যোগ দেন। তিনি চার দলীয় লিয়াজোঁ কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। আনোয়ার জাহিদ মেয়ে সোমা জাহিদ ও ছেলে অন্তু জাহিদকে রেখে গেছেন। তার মৃত্যু সংবাদে সাংবাদিক নেতা ও বিভিন্ন সময়ের সহকর্মীরা হাসপাতালে যান। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক কামালউদ্দীন সবুজ ও সাবেক সভাপতি রিয়াজউদ্দিন আহমেদ শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া রাজনীতিকদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, সাবেক মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম ও ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা আলাদা বিবৃতিতে শোক প্রকাশ ও মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন