তিন মাস আগেই শেষ হবে তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু নির্মাণ
(বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- নিধারিত সময়ের তিন মাস আগেই চট্টগ্রামে তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন সেতু নির্মাণ প্রকল্পের কর্মকর্তারা। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ৫০ শতাংশ কাজ। আগামী বছরের জুলাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে। বুধবার চট্টগ্রামে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে এসে সকালে সেতুর নির্মাণ কাজ ঘুরে দেখার কথা রয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদের। সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী মোক্তাদির বেলাল মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিাফোর ডটকমকে বলেন, "গত সপ্তাহ পর্যন্ত সেতুর ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে নদীর মাঝখানে মূল তিনটি পিলার স্থাপন করা হয়েছে। এখন উপরি-অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে।" মূল সেতুর কাজ ছাড়াও দেড় কিলোমিটার সংযোগ সড়কেরও ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রকৌশলী মোক্তাদির বলেন, "প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দ্রুত কাজ চলায় তিন মাস আগে জুলাইয়ে সেটি খুলে দেওয়া হতে পারে।" সেতুতে গাড়ি চলাচলের জন্য চারটি লেইন থাকবে। এ ছাড়া দুটি লেইন দিয়ে রিকশা ও ভ্যান চলাচল করতে পারবে বলে তিনি জানান। এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা সেতু এলাকা পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচলে স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা নিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। মহানগর পুলিশ কমিশনার এম আকবর আলী জানান, বুধবার সকালে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামমুখী গাড়িগুলোকে কালুরঘাট সেতু দিয়ে চলাচলের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কর্ণফুলী নদীতে চলাচলকারী ফেরি সার্ভিস ব্যবহার করেও ভারী যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে। প্রধান উপদেষ্টার পরিদর্শনের সময় পাশের শাহ আমানত সেতু দিয়ে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বিঘিœত হতে পারে- এমন সম্ভাবনা মাথায় রেখে বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। ৯৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২৪ দশমিক ৪০ মিটার প্রশস্ত চার লেইনের তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৬ সালের জুন মাসে। 'এক্সট্রাডোজড টাইপ' সেতুটি নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে কুয়েত সরকার দিচ্ছে ৩৭২ কোটি টাকা, বাকিটা যোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন