অলিম্পিকে চার নম্বরে বাংলাদেশ!
অলিম্পিকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের ছয় প্রতিযোগীর কারো সোনা জেতার সম্ভাবনা বাংলাদেশে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোনার খনি আবিস্কারের সম্ভাবনারই সমান। তাই বেইজিংয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বেজে ওঠার সম্ভাবনাও শূন্যই। কিন্তু যদি বাজতো, তাহলে কি হতো? ইংল্যান্ডের গার্ডিয়ান পত্রিকার একটি রিপোর্ট বলছে, তাহলে নিশ্চয়ই দর্শকদেরও মন জয় করে নিতো 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।' গার্ডিয়ানের হয়ে বেইজিং থেকে ব্লগ লিখছেন ফ্রি ল্যান্স সাংবাদিক অ্যালেক্স মার্শাল। এই অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ২০৫ দেশেরই জাতীয় সংগীত শুনেছেন তিনি। এক মাসের চেষ্টায় যোগাড় করা এই গানগুলো শুনতে তার সময় লেগেছে চার ঘণ্টা ২৬ মিনিট ২৫ সেকেন্ড। শোনার পর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও এ নিয়ে আলোচনা করে তিনি একটা তালিকা করেছেন, সেরা দশের। সেখানে চার নম্বরে আছে 'আমার সোনার বাংলা'। মার্শালের তালিকায় সবার ওপরে স্থান পেয়েছে উরুগুয়ের জাতীয় সংগীত, দুই নম্বরে আছে নেপালের নতুন সরকারের বেছে নেওয়া নতুন জাতীয় সংগীত, আর তিন নম্বরে মৌরিতানিয়ারটা। এছাড়াও সেরা দশে আছে সেনেগাল, বুরুন্ডি, নাইজেরিয়া, জাপান, তাজিকিস্তান আর ডোমিনিকার জাতীয় সংগীত। আর সবচেয়ে বিরক্তিকর? ফ্রান্সের লা মার্সেইয়েস কারণ সেটা বাজাবে অন্তত সাতটি দেশ। তিনটি দেশের হয়ে বাজার সম্ভাবনাময় খোদ ইংল্যান্ডের জাতীয় সংগীত গড সেভ দ্য কুইনও পিছিয়ে নেই খুব একটা।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন