এ মাসেই শুনানি শুরুর আশা করছে ট্রুথ কমিশন
(বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সত্য ও জবাবদিহিতা (ট্রুথ) কমিশনে এ পর্যন্ত অন্তত ১৭ জনের আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন শিগগিরই কিছু ফাইল ট্রুথ কমিশনে পাঠাবে। এসব আবেদনের ওপর চলতি মাসেই শুনানি শুরুর আশা করছে ট্রুথ কমিশন। বুধবার ট্রুথ কমিশন কার্যালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি হাবিবুর রাহমান খান ও সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঞ্জুর রশিদ এ তথ্য জানান। চেয়ারম্যান জানান, এ পর্যন্ত ১৭-১৮টি আবেদন কমিশনে পৌঁছেছে। বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আছেন এমন কয়েকজন রাজনীতিবিদ, আমলা ও ব্যবসায়ীও আবেদন করেছেন। কমিশনের সদস্য মঞ্জুর রশিদ জানান, তদন্ত শেষ হয়েছে এমন বেশ কিছু ফাইল দুর্নীতি দমন কমিশন শিগগিরই ট্রুথ কমিশনে পাঠাবে। ট্রুথ কমিশন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবানবন্দি নেবে। চলতি মাসেই এসব আবেদনের ওপর শুনানি শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মঞ্জুর রশিদ বলেন, "ট্রুথ কমিশন যে সব ব্যক্তির ব্যাপারে কাজ করবে, দুর্নীতি দমন কমিশন বা আদালত একই সময়ে তাদের ব্যাপারে কাজ করবে না।" এক প্রশ্নের জবাবে বিচারপতি হাবিবুর রাহমান খান বলেন, "আমরা এখানে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বিচার কার্যক্রম চালাতে চাচ্ছি না। তবে আবেদনকারী আইনজীবীর সহায়তা নিতে পারবেন।" তিনি জানান, আবেদনকারীদের জন্য একটি ফরম তৈরি করা হয়েছে। এই ফরম পূরণ করে জমা দেওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট তারিখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জবানবন্দি নেওয়া হবে। চেয়ারম্যান বলেন, "আবেদনকারীর সব তথ্য গোপন থাকবে। তার মান-সন্মান ক্ষুণœ হয় এমন কিছু কমিশন করবে না।" দুর্নীতির দায়ে ২ বছরের কম সাজাপ্রাপ্তদের শর্তাধীনে ক্ষমা করে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার গত ৩০ জুলাই ট্রুথ কমিশন গঠন করে। বিচারপতি হাবিবুর রহমান খানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এ কমিশন গত ৩ আগস্ট কাজ শুরু করে। স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ অধ্যাদেশ-২০০৮ অনুযায়ী, দুর্নীতির দায়ে দুই বছর কিংবা এর বেশি সাজাপ্রাপ্ত ছাড়া যে কেউ এ কমিশনের কাছে সত্য প্রকাশ করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফেরত দিয়ে ক্ষমার সুযোগ নিতে পারবেন। তবে অস্ত্র, মাদক, নারী ও শিশু পাচার এবং ধর্ষণ মামলার আসামিরা কমিশনের এ সুযোগ পাবেন না।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন