ব্যবসায় প্রশাসনিক জটিলতা কাটাতে আরআরসিজি'র যাত্রা শুরু
বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে 'রেগুলেটরি রিফর্ম কোর গ্র"প' (আরআরসিজি) গঠন করা হয়েছে। আর্থিক ও বিনিয়োগ নীতিমালা পর্যালোচনার পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্কারের ক্ষেত্রে রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনকে (আরআরসি) প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবে এই গ্র"প। সোমবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আরআরসিজি'র যাত্র শুরু হল। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও আরআরসি'র সদস্য সৈয়দ মঞ্জুর-ই-এলাহী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের আরও তৎপর হতে হবে। তিনি বলেন, "সমাজতান্ত্রিক দেশ চীন ১৯৮০ সালে তাদের বাজার উন্মুক্ত করে দেয়। তৎপর আমলাতস্ত্র, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সস্তা শ্রমের মাধ্যমে দেশটি বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পেরেছে।" মঞ্জুর-ই-এলাহী বলেন, "এর মাধ্যমে চীনের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি দারিদ্র্যও হ্রাস পেয়েছে।" ভারতের আমলাতন্ত্রকে 'যথেষ্ট জটিল' আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, "এ কারণে ভারত প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে চীনের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।" অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এই সাবেক উপদেষ্টা বলেন, "নিজেদের সেরা ভেবে নেওয়াটা কারো জন্যই ঠিক হবে না।" ইন্টান্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের উদ্যোগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যের ডিপার্টম্যান্ট অফ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ডিএফআইডি) পৃষ্ঠপোষকতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অন্যান্যের মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান ও ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি ওয়ালিউর রহমান ভূঁইয়া এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। প্রচলিত আইনের সংস্কার ও সরকারের নীতিমালা পর্যালোচনার জন্য বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশন বা আরআরসি গঠন করে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান এ কমিশনের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন