উপজেলা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হবে: সাখাওয়াত
(বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নিয়ে মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনী। নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "উপজেলা ও জাতীয় নির্বাচনের মতো বড় পরিসরের নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ৮ থেকে ৯ লাখ লোকবল প্রয়োজন। পুলিশ, আনসার, র্যাব, বিডিআর কিংবা অন্য কোনও বাহিনীতে এককভাবে এতো লোকবল নেই। তাই এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে কাজে লাগাতেই হবে।" সেনাবাহিনী ছাড়াও নৌ ও বিমানবাহিনীর স্বল্প সংখ্যক লোকবলও নির্বাচনের কাজে যুক্ত করা হবে বলে সাখাওয়াত হোসেন জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের নজির রয়েছে দেশে রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত এ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বলেন, "নির্বাচনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর গ্রেপ্তারি ক্ষমতা আগের মতোই থাকছে। তবে এ ক্ষেত্রে নিয়ম হলো, অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশে সোপর্দ করতে হবে।" প্রস্তাবিত গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ-২০০৮ এর ৯০ ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বপালনরত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোনও সদস্য (তিনি পুলিশ কর্মকর্তা না হলেও) ভোট কেন্দ্র বা কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এক জন পুলিশ কর্মকর্তার মতোই বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা প্রাপ্ত হবেন। গত সোমবার অনুষ্ঠিত চার সিটি কর্পোরেশন ও নয় পৌর নির্বাচনে শুধু পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের দিয়েই নির্বাচনী এলাকায় তিন স্তরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "এটা সম্ভব হয়েছে ছোটো পরিসরের নির্বাচন বলে। কিন্তু তিন শতাধিক উপজেলা কিংবা ৩০০ সংসদীয় আসনে জাতীয় নির্বাচনের মতো বড় পরিসরে সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতা নিতেই হবে।" অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার মধ্যেও আগামী অক্টোবরে উপজেলা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোডম্যাপ অনুযায়ী এ বছরের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন হবে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন