দুই ঘণ্টার মধ্যেই সুর পাল্টালেন লিটন
জরুরি অবস্থার মধ্যে স্থানীয় নির্বাচনের পক্ষে নিজের দেওয়া বক্তব্য দুই ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টে ফেললেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী আওয়ামী লীগ নেতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য লিটন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের বলেন, "জরুরি অবস্থা শিথিল হলে সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাওয়া উচিত।" এর ঘণ্টাখানেক পর লিটন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে তার বাসায় দেখা করতে যান। এসময় জিল্লুর রহমান যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার স্টিফেন ইভান্সের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন বলে লিটন বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। ওই সময় লিটন সাংবাদিকদের বলেন, "জরুরি অবস্থা শিথিল করে সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যাওয়া উচিত।" স্টিফেন ইভান্সের সঙ্গে বৈঠক শেষে জিল্লুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, "বৃটিশ হাই কমিশনারকে আমরা বলেছি, জরুরি অবস্থার মধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের আপত্তি আছে।" ওই সময় সাংবাদিকরা জিল্লুরের কাছে জরুরি অবস্থায় নির্বাচনের পক্ষে দেওয়া লিটনের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে পাশে বসা লিটন আগ বাড়িয়ে তার আগের বক্তব্য অস্বীকার করে বলেন, "কই, আমি তো এ ধরনের কথা বলিনি। আমি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের কথা বলেছিলাম।" লিটন জানান, মেয়র পদে শপথ নেওয়ার আগে দলীয় পদ ছাড়ার যে বিধান সরকার করেছে তার বিরুদ্ধে তিনি আদালতে যাবেন। রাজশাহীর মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট কেন্দ্রীয়ভাবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা ফজলে হোসেন বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়। কিন্তু মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় অনড় লিটনের পক্ষ নেয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এক পর্যায়ে ফজলে হোসেন বাদশা নিজেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। পরে ৪ আগস্টের নির্বাচনে বিজয়ী হন লিটন।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন